আর্থিক সংকটের সময় কিভাবে সোনা আপনার বন্ধু হতে পারে?

১) নগদে রূপান্তর:-

আপনি সহজেই আপনার সোনাকে প্রতিদিন ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত নগদে পরিবর্তন করতে পারেন। আপনার সোনা হলমার্ক যুক্ত হলে আপনি সোনার জন্য সর্বাধিক মূল্য পেতে পারেন। হলমার্ক চিহ্ন সোনার বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করে।

২) ঋণ প্রাপ্তির সুবিধা:-

টাকার প্রয়োজনে সোনা বিক্রি করতে হবে না। আপনি সহজেই সোনার হোল্ডিংয়ের বদলে ঋণ পেতে পারেন, যা এই হলুদ রঙ্গের ধাতুকে আরো তরল করে তোলে। ঋণদাতার কাছে আপনার সোনা বন্দক রেখে আপনি ৭৫ শতাংশ নগদ ধার করতে পারেন। ঋণদাতা সোনা রেখে পাঁচ মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে আপনাকে টাকা ঋণ দেয়। জরুরী পরিস্থিতিতে সোনা পরিত্রাতার কাজ করতে পারে।

৩) নগদীকরণের মাধ্যমে সুদের আয়:-

জিএমএস (Gold Monetisation Scheme ) -এর মাধ্যমে ব্যাঙ্ক থেকে সুদ উপার্জন করার সু্যোগ। আপনি ৩০ গ্রাম সোনা জমা রেখেও নিয়মিতভাবে করমুক্ত সুদ উপার্জন করতে পারেন। পরবর্তী ক্ষেত্রে সোনার পরিমাণ এবং বর্তমান বাজার মূল্যের উপর ভিত্তি করে সুদ নির্ধারণ হবে।

৪) তহবিলের উপর ফেরত:-

সোনার ইলেকট্রনিক ব্যবহার আপনার আর্থিক অসুবিধার সময় সহায়ক হতে পারে। এটি গোল্ড এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ) বা গোল্ড ফান্ডের মাধ্যমে সম্ভব। গোল্ড ফান্ডগুলি মিউচুয়াল ফান্ডের মতো, আপনার হয়ে সোনার বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ করে। স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাভুক্ত করা হয়। সুতরাং, আপনি সহজেই কোনও ব্রোকারের মাধ্যমে গোল্ড এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ) কিনতে এবং বিক্রি করতে পারেন, একইভাবে কম সময় এবং প্রচেষ্টায় বিক্রি করতে পারেন। প্রয়োজনের সময় খুব সহজেই বিনিয়োগ করা সোনার সম পরিমাণ নগদ পেতে পারেন। ইটিএফ হোল্ডিংসগুলির পরিবর্তে সহজে ঋণও পেতে পারেন।

৫) ডিজিটাল গোল্ড:-

আপনি এখন ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে মিনিটের মধ্যে নিরাপদে অনলাইনে সোনা কিনতে বা বিক্রি করতে পারেন। অনেকগুলি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে আপনি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সোনা কিনে সঞ্চয় এবং বিক্রি করতে পারেন।

You may also like...

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.